২৯শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, বৃহস্পতিবার, ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

একই বিদ্যালয়ে ৩ থেকে ৫ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

একই বিদ্যালয়ে ৩ থেকে ৫ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

দৈনিক বিদ্যালয় |

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একই বিদ্যালয়ে দিনের পর দিন থাকার সুযোগ উঠে যাচ্ছে খুব দ্রুত। কিছুদিন আগে সমন্বয় বদলি চালু হলেও সেটি ঠিক ভাবে কার্যকর হয়নি বিভিন্ন কারনে। এতদিন কয়েক বছর কিংবা সারাজীবন এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ। এ ধরনের ব্যবস্থার পরিবর্তন এনে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য নির্ধারিত সময় পর পর বদলি বাধ্যতামূলক করা হবে। তিন বা পাঁচ বছর পরপর বদলির এই ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহা পরিচালক মো. ফসিউল্লাহকে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এর সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন।
এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের চাকরি বদলিযোগ্য করা হবে। তাদের ৩ বছর পরপর অথবা ৫ বছর পরপর এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে বদলি করা হবে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করার জন্য বলা হয়েছে। তিন বছর পরপর বা ৫ বছর পরপর বিবেচনা করে প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। তবে এ বিষয়ে শিক্ষকদের যাতে কোন ভোগান্তি না হয় সে কারণে কাছাকাছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি করার ব্যবস্থা ও রাখা হবে।

সূত্র মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের তিন বছর পর পর বদলি করার নিয়ম থাকলে ও প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় তা করা হয় না। প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেতে এই প্রথম এমন বদলির সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন করোনা কালীন সময়ে প্রায় প্রতিদিন প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কী করনীয় এ বিষয়ে শিক্ষকদের বিভিন্ন ভার্চুয়াল গ্রুপ, পেইজ এমনকি অনেক শিক্ষকের ব্যক্তিগত আইডি থেকেও শিক্ষকদের সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা রত। তিনি প্রতিদিন তৃণমূল শিক্ষক – শিক্ষিকাদের প্রাথমিক শিক্ষায় চ্যালেঞ্জের বিষয় গুলো শুনছেন এবং চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করার বিষয়ে করনীয় নিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা এমনকি পরিপত্র জারি করে সে বিষয়ে সমস্যা সমাধান করতে দেখা গেছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের ১৩ তম গ্রেড ও বেতন যাতে না কমে সে বিষয়টি তার উত্তম উদাহরণ।

(ডি বি আর আর)

ফেসবুকে লাইক দিন