২৯শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, বৃহস্পতিবার, ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

বার্ষিক পরীক্ষা না হলে অটোপাস : ডিজি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

নিউজ ডেস্কঃ করোনা কালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা না নেওয়া গেলে অটো পাস ছাড়া কোন কোন উপায় নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মো.ফসিউল্লাহ। করোনার কারনে চলতি বছরে প্রতি বছরের ন্যায় পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন করা হবে না। তবে করোনার পরিস্থিতির উন্নতি হলে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি খোলা হয় সে ক্ষেত্রে বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য পঞ্চম শ্রেণি পাস সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে অটোপাস ছাড়া আর কোনো গতি দেখছেন না মো. ফসিউল্লাহ। 

বৃহস্পতিবারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন একটি শিক্ষা বিষয়ক অনলাইন পত্রিকাকে। তিনি এ বিষয়ে বলেন , এ বছর পঞ্চম শ্রেণির  সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হবে না, তবে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করতে তাদের যেটুকু পড়ানো হয়েছে তার ওপর মূল্যায়নের ভিত্তিতে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। এবং এর ভিত্তিতে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহে সবার সাথে বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এ বিষয়ে অষ্টম শ্রেণির মূল্যায়ন বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত হয় তারপর উপর নির্ভর করছে।

তিনি সমাপনী পরীক্ষা সম্পর্কে বলেন, প্রাথমিকের বিদ্যালয় সমুহের জন্য নিজস্ব কোন শিক্ষা বোর্ড না থাকায় সবকিছু অধিদপ্তরকে করতে হয়। এবছর যেহেতু অষ্টম শ্রেণির কেন্দ্রীয় পরীক্ষা ও নেওয়া হচ্ছে না, তাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডগুলো কিভাবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করবে সে বিষয়ে আমরা তাদের কাছে ও পরামর্শ চাইব,আমরা এক জায়গায় বসব।

সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের পরে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিয়ে বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে দেখা দিয়েছে সংশয়। এটি প্রতিবছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ ও শিক্ষকদের পদোন্নতি

এর আগে প্রধানমন্ত্রী এক লাইভে সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে অটো পাসের ঈঙ্গিত দিয়েছিলেন। এবং বাংলাদেশের চলতি করোনার অবস্থা বিবেচনায় এ নিয়ে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সার সংক্ষেপ পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ দুটি পরীক্ষা তথা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সমাপনী ও ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সমাপনী পর্যায়ের পরীক্ষা শুধুমাত্র এ বছরের জন্য বাতিলের প্রস্তাব করা হয়। সেই প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর স্বীকৃতি মেলে। প্রস্তাবে বলা হয়, সমাপনী পরীক্ষা নেওয়ার কারণে বার্ষিক মেধাবৃত্তি দেওয়া সম্ভব হবে না। হ্যা, তবে উপবৃত্তি কার্যক্রম চালু থাকবে।

আরও পড়ুন: গ্রন্থাগারিক পদে জনবল কাঠামো নীতিমালায় যোগ্যতা জটিলতা এবং সেশনজট

ফেসবুকে লাইক দিন