২৯শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, বৃহস্পতিবার, ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

দ্রুতই খুলবে প্রাথমিক বিদ্যালয় : পরিপত্র জারি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমুহ খোলার পূর্বপ্রস্তুতি নিতে পরিপত্র জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর, বুধবার প্রাগশ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র জারি করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফের চালুর ক্ষেত্রে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করতে বিদ্যালয় সমুহকে নির্দেশ দিয়েছে এই পরিপত্র। অবশ্যই এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর পুনরায় বিদ্যালয় চালুর জন্য নির্দেশিনা প্রস্তুত করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে যা তা প্রায় অপরিবর্তিতভাবে তুলে ধরা হল। বিষয়: বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা (স্লিপ) ফান্ড দ্বারা চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুকরণ প্রসঙ্গে।

আরও পড়ুনঃ সমন্বিত নিয়োগ বিধি ২০২০ পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক ভাবনা

১। কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশ্বব্যাপী বিদ্যালয়সমূহের ন্যায় বাংলাদেশেও প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে শ্রেণিশিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাতসহ শিশুর শিখন যােগ্যতার উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা যত বেশি সময় বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে, তাদের বিদ্যালয়ে ফেরার সম্ভাবনা ততই কমে যাবে। তাই জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাশীঘ্র বিদ্যালয় পুনরায় চালু করা অতীব জরুরী। বিদ্যালয় পুনরায় চালু করার পূর্বে পূর্ব প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখ কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয় এবং তদানুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

২। চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪) এর আওতায় বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা (স্লিপ) প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের আলােকে স্ব স্ব বিদ্যালয় নিজস্ব পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে উক্ত গাইডলাইনের আলােকে বিদ্যালয় পুনরায় চালু করার পূর্বে পূর্ব প্রস্তুতিমূলক বিবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। এ প্রেক্ষিতে বিদ্যালয় পর্যায়ে স্লিপ বরাদ্দকৃত ফান্ড দ্বারা অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিম্নোক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে:

যা করতে হবেঃ ক) ক্লাসরুমসহ বিদ্যালয়ের পুরাে আঙ্গিনা সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জীবাণু মুক্ত করা; খ) বিদ্যালয়ের সমস্ত আসবাবপত্র সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জীবাণু মুক্ত করা; গ) শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র ‘ইনফ্রারেড থার্মোমিটার স্থানীয়ভাবে ক্রয়; ঘ) সাবান, ব্লিচিং পাউডার, ইত্যাদি ক্রয়; ঙ) ওয়াশব্লক টয়লেট সার্বক্ষণিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা; চ) মগ, জগ ও বালতি ক্রয়; ছ) অস্থায়ীভাবে হাত ধােয়ার স্থান নির্ধারণ করে হাত ধােয়ার পানি ও পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা; জ) পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য শ্রমিকের যৌক্তিক সেবা ক্রয় (প্রযােজ্য ক্ষেত্রে); ঝ) কোভিড-১৯ মেয়াদকালে ইন্টারনেট ডাটা ক্রয় (এ খাতে বরাদ্দ না থাকলে)।

৩। বিদ্যালয়ে বরাদ্দকৃত স্লিপ ফান্ড থেকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে সাশ্রয়ী মূল্যে উপরে বর্ণিত সামগ্ৰী/সেবা ক্রয়/সংগ্রহ করা যাবে। ৪। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকার আলােকে স্ব স্ব বিদ্যালয় স্থানীয়ভাবে প্ল্যান গ্রহণ করে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করবে। ৫। বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা (স্লিপ) প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন গাইডলাইনের অনুবৃত্তিক্রমে এ পরিপত্র জারী করা হলাে এবং তা উক্ত গাইডলাইনের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। ৬। উপযুক্ত ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত আর্থিক বিধি-বিধান অবশ্যই প্রতিপালন করতে হবে। ৭। পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত এ পরিপত্র বলবৎ থাকবে। (পরিপত্রটি উপজেলা শিক্ষা অফিস সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রদান করা হয়েছে।)

আরও পড়ুনঃ প্রেস রিলিজ : অতিশীঘ্রই প্রাথমিক শিক্ষকরা উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করতে পারবেন

পরিপত্রটি হলঃ

 

ফেসবুকে লাইক দিন