২৮শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, বুধবার, ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

চার পাঁচজন শিক্ষক একই পদে যেতে চাইলে সফটওয়্যার যাকে মনে করবে অনুমোদন দেবে

ডেস্ক নিউজঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সনের প্রথম থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম অনলাইন ভিত্তিক করা হচ্ছে। এ বদলীতে নানা ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম, একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনলাইনে তার পছন্দ সমুহ নির্বাচন করে একাধিক বিদ্যালয়ে বদলির জন্য আবেদন করতে
পারবেন।

এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলিতে। বদলির জন্য অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। বদলি হওয়ার জন্য একজন শিক্ষক একাধিক বিদ্যালযয়ে আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সিনিয়রিটি ভিত্তিতে যােগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচন করা হবে। এবং বদলীর এই আবেদন শিক্ষা অফিসার থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহা পরিচালক পর্যন্ত চলে যাবে। প্রত্যেক ধাপে কর্মকর্তারা তাদের সুপারিশ বা মন্তব্য জানাবেন। কেউ বদলি হতে না হতে পারে, তবে কেন হতে পারল না তার কারণ জানিয়ে দেয়া হবে।

বদলীর আবেদন প্রথমে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে যাবে। আবেদন করার পরবর্তী তিনদিন সেই UAEO তাতে সুপারিশ বা মন্তব্য না লিখলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে তার ক্ষমতা ব্লক হয়ে উপরস্থ কর্মকর্তার কাছে চলে যাবে। এমনিভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক পর্যন্ত চলে যাবে আবেদনটি। এতে করে শিক্ষকদের হয়রানি ও নিয়ােগ বাণিজ্য বন্ধ হবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই বদলীর মূল ভিত্তি হবে জ্যেষ্ঠতা।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে অনলাইন ভিত্তিক আবেদন গ্রহণ শুরু করা হবে এবং মার্চের মধ্যে বদলি কার্যক্রম শেষ করা হবে।

কোন শিক্ষক বদলীর আবেদন করলে তার নামে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে এক্সাবে। তিনি নিজস্ব পাসওয়ার্ড দিয়ে সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন। আবেদন করে কেউ বদলি না হতে পারলে তার কারণ উল্লেখ করা হবে। এ-সংক্রান্ত একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে ইতিমধ্যে। সেটিতে আরও নতুন কিছু বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি এ নিয়ে একটি সফটওয়্যার তৈরি করে তা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দেখানাে হয়েছে। সে অনুযায়ী কর্মকর্তারা বেশকিছু বিষয়ে সংশােধনী ও ইনপুট দিয়েছেন বলে মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা থেকে জানা যায়। অতিরিক্ত সচিব আলমগীর মোহাম্মদ মনসুরুল আলিম বলেন, “সফটওয়্যারটিতে শিক্ষকদের যােগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন অপশন থাকবে। সেসব তথ্য পূরণ করলে অটোমেটিক বদলির তথ্য পাওয়া যাবে এবং চার-পাঁচজন একই স্কুলে একই পদে যাওয়ার আবেদন করলে সফটওয়্যার যাকে যােগ্য মনে করবে তার অনুমােদন আসবে।”

তিনি বলেন, যে শিক্ষকের বদলি করা সম্ভব হবে না সে জানতে পারবে কী কারণে হলাে না। যার বদলী সম্ভব হয়েছে সেও জানতে পারবে। এক্ষেত্রে একাধিক শর্তের মধ্যে কোনােটিতেই যােগ্য না হলে তাকে বঞ্চিত হতে হবে।

অধিদফতর থেকে মন্ত্রণালয়ে সফটওয়্যারের ডেমােনেস্ট্রেশন দেখানাে হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা কিছু সংশােধনী সহ তথ্য ইনপুট দিতে বলেছি। অনলাইনে এই আবেদন প্রক্রিয়ায় একটা নির্দিষ্ট সময় দেয়া হবে এবং বদলির জন্য অন্তত তিন দিন সময় দেয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে আবেদন এর কাজ শেষ করতে না পারলে আর বদলি হবে না। অটোমেটিকভাবে এসব বিষয় ইনপুট দেয়া থাকবে। দ্রুতই আপডেট সফটওয়্যারটি মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের আবার প্রদর্শন করা হবে বলে জানা গেছে।

তবে, এই বদলীতে কোন কর্মকর্তার উপর নির্ভরতা থাকলে পূর্বের বদলীর মত দূর্নীতি ঠেকানো যাবে না বলে মনে করছে ভুক্তভোগী শিক্ষকরা।

টাইমস্কেল জটিলতায় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতি জরুরী সভা আহবান

৪৫ এর বাধা নয় : শিক্ষানীতির আলোকে ১০০% পদোন্নতি হোক!

ডিবি আর আর

ফেসবুকে লাইক দিন