২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, বুধবার, ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড প্রাপ্তির পরিপত্র

১৩তম গ্রেডে বেতন প্রাপ্তির ব্যাপারে সংশয় ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। সেই সংশয় দুর হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখার এক পরিপত্রের মাধ্যমে। এই পরিপত্র বুনিয়াদে ১৩ তম গ্রেড প্রাপ্তিতে স্নাতকধারী বা নন স্নাতকদের ক্ষেত্রে ১৩ তম গ্রেড প্রাপ্তিতে আর বাঁধা নেই।

শামীম আরা নাজনীন, উপসচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বাক্ষরিত ১২ অক্টোবর তারিখে সেই পরিপত্রটি এখানে তুলে ধরা হল। যার বিষয় ছিল, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩ম গ্রেড প্রদান।

উপযুক্ত বিষয়ে জানানাে যাচ্ছে যে, অর্থ বিভাগের ০৭।১১।২০১৯ তারিখের ০৭.০০.০০০০.১৬১.৩৮.০০.০৯.১৭-৩০৮ সংখ্যক পত্রের সম্মতিক্রমে এ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ [প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত] এবং বেতন গ্রেড-১৫ [প্রশিক্ষণবিহীন] থেকে গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করা হয় [সংলাপ-১]।

মাঠ পর্যায়ে সরকারের এ সিদ্ধান্ত বেশ প্রশংসিত হয়। অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের ৫নং কলামে উল্লেখ রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়ােগ বিধিমালা, ২০১৯ এর তফসিল [বিধি২ এর গ] অনুযায়ী পদ পূরণযােগ” এবং ১নং শর্তে বলা হয়েছে “উপরের ছকের ৪নং কলামে
নির্ধারণকৃত বেতন গ্রেড ৫নং কলামে প্রদর্শিত যােগ্যতা / অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কার্যকর হবে।

এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, অর্থাৎ ২০১৯ সালের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যারা নব নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন তাদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যােগ্যতার এ শর্ত প্রযােজ্য হবে। বাদবাকী শিক্ষক যারা পূর্ব থেকে কর্মরত আছেন অর্থাৎ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যাদের অভিজ্ঞতা আছে তারাও বেনত স্কেল উন্নিত করণের এ সুবিধা প্রাপ্ত হবেন। কিন্তু যে সকল অভিজ্ঞ সহকারী শিক্ষক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়ােগ বিধিমালা, ২০১৯’ এর আওতায় নিয়োগ প্রাপ্ত হননি এবং স্নাতক ডিগ্রী বিহীন তারা বেতন গ্রেড -১৩ তে বেতন নির্ধারণ করতে পারছেন না বলে জানা গেছে।

এতে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে বিধায় সকলকে তথা স্নাতকধারী ও স্নাতকবিহীনদের একই সুযোগ ১৩তম গ্রেড প্রাপ্তির সুযোগ দিয়েছে।

উল্লেখ্যঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মূল দাবী ছিল ১৩তম গ্রেড নয় ১১তম গ্রেড বা প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপে বেতন নির্ধারণ। কিন্তু শেষ মেষ তাদেরকে দেওয়া হয়েছে ১৩ তম গ্রেড যাতে তাদের মধ্যে এখনো হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজমান। এক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকদের দাবি ১০ গ্রেড হলেও তাদের দেওয়া হয়েছে ১১তম ও মাঝখানের ধাপে সহকারী শিক্ষক পদ সৃষ্টির কথা বলে প্রাগশি মন্ত্রণালয়।

নিম্নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিপত্রটি তুলে ধরা হল।

দৈনিক বিদ্যালয় এর খবর সমুহ লেখা হয় বিশেষকরে প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী ও সরকারী চাকুরীজীবীদের জন্য। দৈনিক বিদ্যালয়’ অনলাইনে শিক্ষা বিষয়ক পত্রিকার নিয়মিত আপডেট পেতে SUBSCRIBE নোটিফিকেশন আসলেই Subscribe বাটনে চাপ দিন।

গুগল থেকে সরাসরি ‘দৈনিক বিদ্যালয়’ অথবা dainikbidyaloy.com লিখে এই অনলাইন বিষয়ক পত্রিকা; শিক্ষার প্রিয় খবর সমুহ খুজে পেতে পারেন।

ফেসবুকে লাইক দিন