২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, বুধবার, ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

৯.৩.১৪ থেকে টাইমস্কেল পাবেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা : পরিপত্র জারি

দৈনিক বিদ্যালয় ডেস্কঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাংখিত টাইমস্কেল প্রাপ্তি আর হচ্ছে না। প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দাবি ছিল ০৯.০৩.২০১৪ তথা দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা লাভের তারিখ থেকে টাইমস্কেল প্রাপ্তির। কিন্তু তা আর হচ্ছে না।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রনালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন -১ অধিশাখা থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ০৯.০৩.২০১৪ ইং তারিখের পরবর্তী সময়ের টাইমস্কেল প্রদান বিষয়ে আজ এক পরিপত্র জারি করে। যাতে পূর্ব সময়ের অর্থ বিভাগের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল বিষয়ে মতামত প্রদান মূলক পত্রের স্মারক ও তারিখ উল্লেখ করে।

অত্র পরিপত্রের ভাষা প্রায় অপরিবর্তিতভাবে উল্লেখ করা হল। উপযুক্ত বিষয়ে ১নং সুত্রোক্ত স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশক্রমে জানানাে যাচ্ছে যে, ইতঃপূর্বে অর্থ বিভাগের সুত্রোক্ত ০৩ টি স্মারকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণের টাইমস্কেল প্রদান বিষয়ে মতামত প্রদান করা হয়েছে।

২। এ বিষয়ে পুনরায় জানানাে যাচ্ছে যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণের পদমর্যাদা ১৯।০৩।২০১৪ তারিখ থেকে ২য় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে বিধায় তৃতীয় শ্রেণির চাকুরি কালের সাথে ২য় শ্রেণির চাকুরিকাল গণনা করে জাতীয় বেনস্কেল, ২০০৯ এর ৭ এর ০১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তারা টাইমস্কেল প্রাপ্য হবেন না।

পরিপত্রে আরো উল্লেখ্য, টাইমক্ষেল প্রদানের ক্ষেত্রে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতনস্কেল, ২০০৯ এর ৭ এর ১ নং
অনুচ্ছেদ এবং ২য় শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য ৭ এর ২ নং অনুচ্ছেদ প্রযােজ্য।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির প্রধান নেতা বদরুল আলমের কাছে এ বিষয়ে দৈনিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আমাদেরকে হতাশ করেছে। এবার আমরা আশা করেছিলাম যে, প্রধান শিক্ষকগণ তাদের ন্যায্য ও যৌক্তিক পাওনা ০৯।০৩।১৪ থেকে ১৪।১২।১৫ প্রাপ্য টাইমস্কেল পেয়ে যাবেন। কিন্তু বিধি বাম! তার পরও আমি আশাবাদী, আমরা টাইমস্কেল পাব। সবকিছুই শেষ হয়ে যায়নি! মামলার শুনানি এখনো শেষ হয়ে যায় নি!

এবিষয়ে প্রতিভাময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক নেত্রী লিপি খাতুন বলেন, অর্থ মন্ত্রনালয় আমাদেরকে আশাহত করেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মমন্ত্রনালয় আমাদের ন্যায্য পাওনা টাইমস্কেল এর অকাট্য যুক্তি তুলে ধরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠি দিয়ে ছিলেন। তিনি সে জন্য প্রাগম এর সিনিয়র সচিবকে ধন্যবাদের জানান এবং প্রধান শিক্ষকদের হতাশ না হওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ’ন্যায্য দাবী আদায়ে যে কোন একটা পথ বের হবেই!’

টাইমস্কেল ও দশমগ্রেড প্রশ্নে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা দু’ভাগে বিভক্ত

প্রাথমিক শিক্ষকদের পদন্নোতিতে বয়স ও পরীক্ষা পদ্ধতি থাকবে না : অচিরেই পদোন্নতি

টাইমস্কেল বঞ্চিত শিক্ষকদের উদ্ভুত সমস্যায় একজন ত্রাণকর্তার প্রয়োজন

দৈনিক বিদ্যালয় এর সকল নিউজ খুজে পেতে dainikbidyaloy.com লিখে গুগলে সার্চ দিন।

ফেসবুকে লাইক দিন