২৫শে নভেম্বর, ২০২০ ইং, বুধবার, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

উল্লেখ্য, এবারের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ৬ হাজার ৯৪৭ শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

২৫৬৩০ প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক ও ৬৯৪৭ শূন্যপদে প্রাথমিক শিক্ষক পদে আবেদন করবেন যেভাবে

দৈনিক বিদ্যালয় অনলাইন ডেস্ক : ইতিমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমুহে ৩২৫৭৭ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ২৫ অক্টোবর ২০২০ থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন চাকুরী প্রার্থীরা। অত্র নতুন নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী এবারই প্রথম স্নাতক পাস ছাড়া আবেদন করতে পারবেন না নারী নিয়োগ প্রার্থীরা সাথেসাথে পুরুষ নিয়োগ প্রার্থীদের আবেদনের যোগ্যতা পূর্বের মতোই স্নাতক থাকছে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে : অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং শেষ হবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং http://dpe.telelalk.com.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে অনলাইনে যেভাবে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে তার নির্দেশনা পাওয়া যাবে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

এরপর অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দেওয়ার পর অ্যাপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট করতে হবে। এবং সঠিকভাবে পূরণকৃত অ্যাপ্লিকেশন কপির ইউজার আইডি দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। অত্র আবেদন ফি জমা দেওয়ার পর অ্যাপ্লিকেশন ফরম কোনো অবস্থায়ই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। শুধু ইউজার আইডি প্রাপ্ত প্রার্থীরা এই সময় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এস.এম.এস’র মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবে।

নিয়োগ প্রার্থী আবেদনকারীকে একটি ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। অত্র ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড প্রার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে। এবার প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরৎযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১১০ টাকা যে কোনো টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল নাম্বার থেকে এস.এম.এসের মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।

প্রার্থীর বয়সসীমা : প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর ২০২০ তারিখে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। বয়সের ক্ষেত্রে কোনধরনের এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

শিক্ষাগত যোগ্যতা : প্রার্থীকে যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সি.জি.পি.এ. সহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

আবেদন ফি : এবারের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা। (অফেরৎযোগ্য ১০০ টাকা আবেদন ফি ও ১০ টাকা টেলিটকের সার্ভিস চার্জ।)

প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি :পূর্বের সময়ে সহকারী শিক্ষক পদে ৮০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হতো। এতে বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন থাকত। তবে এবারের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় কত নম্বরের পরীক্ষা হবে এ বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এসকল পরীক্ষার তারিখ পরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানা গেছে।

লিখিত পরীক্ষার পর: সংশ্লিষ্ট প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইনে দাখিলকৃত আবেদনের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি, প্রথম শ্রেণির গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সকল মূল অথবা সাময়িক সনদপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্র সহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

চাকুরী পেলে বেতন :  জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী গ্রেড ১৩ এর অধীনে ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা বেতন পাবেন।

উল্লেখ্য, এবারের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ৬ হাজার ৯৪৭ শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ডিজি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবার যে পদ্ধতিতে

ডিবিআরআর।

ফেসবুকে লাইক দিন