২৪শে নভেম্বর, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার, ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

শিক্ষকদের চাকুরী স্থায়ীকরণে পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে যা হচ্ছে

দৈনিক বিদ্যালয় বিশেষ প্রতিবেদন : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অঅধিদপ্তর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণ ও পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য তাগিদ দিয়ে এক পরিপত্র জারি করা হয়। এর পর থেকে যে সকল শিক্ষকের চাকুরী স্থায়ী হয় নি, তারা তাগিদ বোধ করে চাকুরী স্থায়ী করণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

২৮ সেপ্টেম্বরের অধিদপ্তর কর্তৃক জারিকৃত চিঠিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কথাও বলা হয়। এক্ষেত্রে ইতিমধ্যে অনেক উপজেলা তারা স্ব-স্ব তাগিদে শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও চাকুরী স্থায়ী করণের জন্য নির্ধারিত কাগজ জমা দিতে বলে। কিন্তু এবিষয়ে একটি ক্ষেত্রে ধোয়াশা তৈরি হচ্ছে। আর তা হল কোন কোন জেলা-উপজেলায় পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগছে আবার কোন জেলা-উপজেলায় লাগছে না। এটি নিয়ে বেশ কয়েকটি জেলায় নোটিশ ও জারি করা হয়েছে। যেমন নীলফামারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক ২৭ অক্টোবর তারিখে জারিকৃত পত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, ২০১৮ সালের পূর্বে যোগদানকৃত শিক্ষকগণের পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন নেই।

এছাড়া উপলো শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়
তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ থেকে চাকুরী স্থায়ী করণের যে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে ২৮ অক্টোবর ২০১০ তারিখে সেই পত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে শর্তাবলীতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘০১/০১/২০১৮ খ্রি. এর পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান ও সহকারী শিক্ষকগণকে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না। অবশিষ্ট নিয়ােগপ্রাপ্ত প্রধান ও সহকারী শিক্ষকগণকে পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম ০৩ (তিন) সেট পূরণ পূর্বক প্রয়ােজনীয়।

এটা নিয়ে চাকুরী স্থায়ীকরনেচ্ছু শিক্ষকগণ চাচ্ছেন সারা দেশে একই নীতিমালা প্রকাশ করে চাকুরী স্থায়ী করণে কী কী কাগজ-পত্র লাগবে, কাদের লাগবে, কত সাল থেকে স্থায়ীকরণ করতে হবে, এবিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি পরিস্কার নির্দেশনা বা পরিপত্র জারি করতে।

এবিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. বদরুল আলমের সাথে দৈনিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সকল শিক্ষকদের চাকুরী তিন বছরের বেশি হয়েছে বি এস আর (বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস) এর রুল অনুযায়ী তাদেরকে অটোমেটিক ভাবে চাকুরী স্থায়ীকরণ হয়ে যায়। আর যাদের চাকুরীকাল তিন বছর পূর্ণ হয়নি তাদেরকে সহজ শর্তে চাকুরী স্থায়ীকরণ করা হোক! শিক্ষকগণ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, একারনে চাকুরী স্থায়ীকরনের ক্ষমতা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের উপর ন্যস্ত করলে ভালো হয়।

তিনি বলেন, আমি আমার শিক্ষক সমিতির পক্ষে দ্রুতই এব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব।

শিক্ষক নিবন্ধনের ফলাফল প্রকাশ নিয়ে কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষার সম্ভাব্য সিলেবাস

ফেসবুকে অধিদপ্তর থেকে জারি করা চিঠি সম্পর্কে মন্তব্য করায় শিক্ষক বরখাস্ত

ডিবি-আর আর।

ফেসবুকে লাইক দিন