১লা আগস্ট, ২০২১ ইং, রবিবার, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র সংযুক্তির জন্য দরখাস্ত আহবান

দৈনিক বিদ্যালয় : ২৫ নভেম্বর রোজ বুধবার মোঃ ফজলুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সেনবাগ, নোয়াখালি স্বাক্ষরিত এক পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা অধ্যায়নরত থাকাকালীন চাকরিতে যোগদান করেছেন এবং পরবর্তীতে অসচেতনতার কারণে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে চাকুরি অবস্থায় অধ্যায়ন বা নৈশকালীন, খন্ডকালীন কোর্স সম্পন্ন করেছেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের সনদপত্র চাকুরীর খতিয়ান বহি (সার্ভিস বহি) তে সংযুক্ত করার জন্য ২৯।১১।২০২০ ইংরেজি তারিখের মধ্যে আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সংশোধিত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮: যত অসংগতি ও বৈষম্য

এবিষয়ে গত ২৭ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয়ের উপসচিব নাজমা বেগম স্বাক্ষরিত এক আদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র সমুহ সার্ভিস বুকে এন্ট্রি করার সুযোগ দিয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

যে কারণে বৃহস্পতি ও শুক্রবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকলে ভালো হবে

সে আদেশ বলে অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে। এখন থেকে উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যুক্ত হবে শিক্ষকদের সার্ভিসবুকে।চাকরিরত অবস্থায় অনুমতি না নিয়ে যারা স্নাতক, সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেও সার্ভিসবুকে তা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি এখন থেকে তাদের এই সনদ সমুহ সার্ভিস বুকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

প্রাথমিক শিক্ষকদের অনলাইন বদলি বিষয়ে জানালেন অধিদপ্তরের ডিজি

শিক্ষক ও শিক্ষক নেতাদের অনুরোধক্রমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন এই সার্টিফিকেট সমুহ সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্তকরণের আদেশ দেন।

এই আদেশের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষক তাদের অনুমতি বিহীন অর্জিত সনদসমুহ চাকুরির খতিয়ান বহিতে অন্তর্ভুক্ত করার সুবিধা পাবেন।

উল্লেখ্য, বিগত সময়ে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের, বিশেষকরে নারী শিক্ষকদের চাকরিতে প্রবেশের যোগ্যতা চাওয়া হত এইচএসসি। সে কারণে বেশ কিছু সংখ্যক নারী শিক্ষক উক্ত পদে উচ্চমাধ্যমিক পাসে এখনো আছেন। এখন সেই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল শিক্ষকদের জন্য উচ্চতর ডিগ্রির যোগ্যতার সনদ সার্ভিসবুকে এন্ট্রি করার সুযোগ হল। এছাড়া এবারের নিয়োগে সহকারী শিক্ষকদের নতুন নিয়োগ বিধি-২০১৯ অনুযায়ী সবার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক পাস।

১৫ থেকে ১১ গ্রেড পর্যন্ত বেতন হিসাব ২০১৫ জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী

কিন্তু এটা নিয়ে একটি জটিলতা ও দেখা দিয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে। তা হল, যারা পরে এসে স্নাতক বা উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করেছে; তাদের সনদ সার্ভিসবুকে এন্ট্রি করা হলে, তারা কী পদোন্নতির ক্ষেত্রে এখন থেকে সিনিয়রিটি পাবেন? এটি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে চলছে নানান জল্পনা-কল্পনা।

-ডিবি আর আর।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন