২৯শে জুলাই, ২০২১ ইং, বৃহস্পতিবার, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

কাউকে ৯টা-৪টা বিদ্যালয়ে থাকার কোন লিখিত বা মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি

দৈনিক বিদ্যালয় :: ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসিবুল আলম সাথে সাক্ষাৎ করেন। এরপর প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনায় প্রাথমিক শিক্ষার বিরাজমান বেশ কয়েকটি সমস্যার বিষয় উঠে আসে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির ঢাকা মহানগর শাখার আহবায়ক নিগার সুলতানা ও উক্ত সমিতির ১ম যুগ্ম-আহবায়ক তাসলিমা সুলতানা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্ধারিত প্রাথমিক শিক্ষকদের ডিপিএড পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের প্রস্তুতি ও আবাসন সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরলে সচিব বলেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন দফতরের সাথে আলোচনা করেই পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন করে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে তা অবহিত ও করা হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পেছানো খুব কঠিন কাজ।

এরপর ও তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ও নেপ পরিচালকের সাথে এই বিষয়ে কথা বলবেন এবং এটির সমাধান বের করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। পিটিআই এর ডিপিএড পরীক্ষা পেছানো সংক্রান্ত শিক্ষকদের আবেদন পত্র পড়ে সচিব মহোদয় বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রস্তুতি ঘাটতির বিষয়টি মাথায় রেখেই প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং পরীক্ষা পদ্ধতি ও মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকলের জন্য গ্রহণযোগ্য এবং সহজীকরণ করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। শিক্ষকরা অনেক পজেটিভ এবং এই বিষয়েও তাদের পজিটিভ মনোভাব আমরা কামনা করি। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা না করার জন্যও তিনি অনুরোধ করেন। আবাসন সমস্যা সমাধানে পিটিআই সুপারগণ যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন সে জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ও নেপ মহোদয়ের সাথে তিনি কথা বলার কথা উল্লেখ করেন।

এরপর ডিপিএড প্রশিক্ষণ করলে প্রশিক্ষণার্থীদের বেতন কমে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কেন বেতন কমে যাচ্ছে এই বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে এবং কীভাবে সমস্যা সমাধান করা যায় এই বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। আজ ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ এই বিষয়ে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন।

আজ বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির নেত্রীদের সাথে তার মন্ত্রালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব

এছাড়া কিছু কিছু জেলা ও উপজেলায় সকল শিক্ষকের প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাওয়া এবং ৯টা-৪টা অবস্থানের মৌখিক কোন নির্দেশ আছে কিনা এ বিষয়ক আলোচনায় সচিব বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারি হয়েছে। ‘কাউকে ৯টা-৪টা থাকার কোন লিখিত বা মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে বিদ্যালয় খোলার উপযোগী করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষটি নিশ্চিত করতে হবে এবং পাঠ্য বই পড়ার বিষয়ে প্রধান শিক্ষকগণ অভিভাবকদের মাধ্যমে নিশ্চিত করবেন।’

-ডিবি আর আর।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন