৬ই মার্চ, ২০২১ ইং, শনিবার, ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

জাল সনদ ও অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের সনদে সহঃগ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগারিক নিয়োগ বন্ধ ও এমপিও বাতিলের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান

দৈনিক বিদ্যালয় :: ১৬ ফেব্রুয়ারি,২০১২১ বুধবার- প্রকৃত সনদ ও কোর্সধারী “লাইব্রেরি এন্ড ইনফরমেশন সায়েন্স ডিপ্লোমা এবং মাস্টার্স” শিক্ষার্থীদের পক্ষথেকে শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা উপমন্ত্রীসহ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মোট ৬ জন কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। প্রকৃত সনদ ও কোর্সধারী শিক্ষার্থীদের পক্ষথেকে জানানো হয়, সহঃগ্রন্থাগারিক এবং গ্রন্থাগারিক পদ দুটি মাধ্যমিক/দাখিল ও ততোর্ধ্ব পর্যায়ের অপরিহার্য পদ। বর্তমানে পদদুটিতে ব্যাপকভাবে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মাদ্রাসায় পদদুটি নবসৃষ্ট হওয়ায় বর্তমানে এগুলোতে ব্যাপক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিন্তু এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে পুঁজি করে অসাধু একশ্রেণির ব্যক্তি ও মহল জাল সনদ প্রদানের মত ঘৃণ্য ও শাস্তিযোগ্য তৎপরতা চালাচ্ছে। এতে যোগ হয়েছে “দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা”র মত অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান। এরূপ কিছু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের সনদ রাতারাতি পৌঁছে যাচ্ছে নৈতিকতা ও মূল্যবোধহীন অ-ডিপ্লোমাধারী নিয়োগ প্রার্থীদের হাতে। এতে করে প্রতিটি নিয়োগেই এই অপশক্তি গুলোর অনৈতিক ও আর্থিক দৌরাত্ম্যের কাছে প্রকৃত সনদধারীরা অবমূল্যায়িত হচ্ছে। নিয়োগ কমিটি ও ডিজি প্রতিনিধিগণ সনদের অনলাইন রেজাল্ট দেখে চূড়ান্ত নিয়োগ সুপারিশ করে থাকেন। তাই অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলো অনুমোদনহীনতার সত্ত্বেও ওয়েবসাইটে সনদগুলোর রেজাল্ট দেখাচ্ছে। আবার একাধিক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানও অবৈধভাবে ও গোপনে তাদের আসন সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি সনদ বিতরণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অপর প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের চেনাজানা অনেকে আছেন যারা কখনো ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি পর্যন্ত হননি, কিন্তু নিয়োগের ক্ষেত্রে রাতারাতি সনদের মালিক হয়ে যাচ্ছেন। আবার এমনও দেখা যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সবার আগে উঠে আসছে “দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা”র নাম। প্রায় প্রতিটি নিয়োগ আবেদনে ইউনিভার্সিটিটির একাধিক সনদের দেখা মিলছে। অথচ স্পষ্টতই তাদের কোনো শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি নেই বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন(UGC) নিশ্চিত করেছে। আবার আরো দুঃখজনক ব্যাপার হলো এসব অনুমোদনহীন সনদ দ্বারা এমপিও পাওয়ার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। যা প্রকৃত সনদধারীদের হতাশাগ্রস্ত করছে। এমতাবস্থায় আমরা কর্তৃপক্ষের সুনজর বিবেচনার জন্য ৬টি দাবির ভিত্তিতে আজ ৬ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করলাম। আশাকরি শিক্ষামন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

স্মারকলিপি প্রদান করা হয়ঃ
১. মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী
২. মাননীয় শিক্ষা উপমমন্ত্রী
৩. সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ
৪. সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ
৫. মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ
৬. মহাপরিচালক, মাদ্রাসা অধিদপ্তর।

-ডিবি আর আর।

ফেসবুকে লাইক দিন