২৩শে অক্টোবর, ২০২১ ইং, শনিবার, ৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় এক শিক্ষিকাকে চালপড়া খাওয়ায়ে চুরির অপবাদে আত্মহত্যার চেষ্টা

দৈনিক বিদ্যালয় ডেস্ক : : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার একজন শিক্ষকাকে বিদ্যালয়ের টাকা চুরির ঘটনায় চালপড়া খেতে বাধ্য করার পর তার বিরুদ্ধে টাকা চুরির অপবাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার সরাফপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় পুলিশ সত্য উদঘাটনের জন্য তদন্তে নেমেছে।

উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে তাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আবু তাহেরের প্রায় ১৮ হাজার টাকা হারিয়ে যায়। এরপর স্থানীয় মসজিদের ইমামের কাছ থেকে চালপড়া এনে তা সবাইকে খাওয়ানো হয়। যে চালপড়া বিদ্যালয়ের ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীরা সবাই খান। এরপর একজন শিক্ষিকা গলায় অস্বস্তি বোধ করলে এতে সবাই ধরে নেয় তিনিই টাকা চুরি করেছেন। এঘটনায় উক্ত শিক্ষিকার দাবি প্রধান শিক্ষক সবাইকে চালপড়া খেতে বাধ্য করেছেন।

শিক্ষিকা বলেন, প্রধান শিক্ষক আমাকেসহ অন্যদের চালপড়া খেতে বাধ্য করেন। টাকা হারানোর দায়দায়িত্ব সেই শিক্ষিকার উপরে বর্তানোয় সেই শিক্ষিকা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন। এরপর তিনি আশাশুনি থানায় প্রধান শিক্ষকের নাম উলেখ করে একটি জিডি করেছেন।

এবিষয়ে থানার ওসি গোলাম কবির বলেন, এবিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় জানতে চাওয়া হলে বিদ্যালয়ের সভাপতি রাজ্যেশ্বর দাস বলেন, চালপড়া খাওয়ায়ে কাউকে চুরির অপবাদ দেওয়া আইনসম্মত নয় কিন্তু ঘটনাটি ঘটে গেছে। এছাড়া উক্ত শিক্ষিকার স্বামী বলেন, টাকা চুরির অপবাদে তার স্ত্রী আত্মহত্যা করতে যাচ্ছিলেন এবং এখন তাকে পরিবারের সদস্যদের নজরদারিতে রেখেছি। তিনি এই মিথ্যা অপবাদেত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

সাতক্ষীরা জেলার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, তিনি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, চালপড়া খাওয়ায়ে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা আইনসম্মত নয়।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার একজন শিক্ষকাকে বিদ্যালয়ের টাকা চুরির ঘটনায় চালপড়া খেতে বাধ্য করার পর তার বিরুদ্ধে টাকা চুরির অপবাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানাগেছে, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার সরাফপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় পুলিশ সত্য উদঘাটনের জন্য তদন্তে নেমেছে।

উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে তাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আবু তাহেরের প্রায় ১৮ হাজার টাকা হারিয়ে যায়। এরপর স্থানীয় মসজিদের ইমামের কাছ থেকে চালপড়া এনে তা সবাইকে খাওয়ানো হয়। যে চালপড়া বিদ্যালয়ের ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীরা সবাই খান। এরপর একজন শিক্ষিকা গলায় অস্বস্তি বোধ করলে এতে সবাই ধরে নেয় তিনিই টাকা চুরি করেছেন। এঘটনায় উক্ত শিক্ষিকার দাবি প্রধান শিক্ষক সবাইকে চালপড়া খেতে বাধ্য করেছেন।

শিক্ষিকা বলেন, প্রধান শিক্ষক আমাকেসহ অন্যদের চালপড়া খেতে বাধ্য করেন। টাকা হারানোর দায়দায়িত্ব সেই শিক্ষিকার উপরে বর্তানোয় সেই শিক্ষিকা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন। এরপর তিনি আশাশুনি থানায় প্রধান শিক্ষকের নাম উলেখ করে একটি জিডি করেছেন।

এবিষয়ে থানার ওসি গোলাম কবির বলেন, এবিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় জানতে চাওয়া হলে বিদ্যালয়ের সভাপতি রাজ্যেশ্বর দাস বলেন, চালপড়া খাওয়ায়ে কাউকে চুরির অপবাদ দেওয়া আইনসম্মত নয় কিন্তু ঘটনাটি ঘটে গেছে। এছাড়া উক্ত শিক্ষিকার স্বামী বলেন, টাকা চুরির অপবাদে তার স্ত্রী আত্মহত্যা করতে যাচ্ছিলেন এবং এখন তাকে পরিবারের সদস্যদের নজরদারিতে রেখেছি। তিনি এই মিথ্যা অপবাদেত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

আরও পড়ুন : ১৭ তারিখের মধ্যে টিকা নিতে হবে শিক্ষকদের

সাতক্ষীরা জেলার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, তিনি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, চালপড়া খাওয়ায়ে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা আইনসম্মত নয়।

-ডিবি আর আর।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন