২৬শে জুলাই, ২০২১ ইং, সোমবার, ১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

জাতীয়করণকৃত শিক্ষক না পদোন্নতি, না সিলেকশন গ্রেড, না টাইমস্কেল পাবেন : হাবিবুর রহমান

দৈনিক বিদ্যালয় :: ২০১৩-১৪ সালে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের বিধিবহির্ভূতভাবে প্রদেয় টাইমস্কেল বাতিল করে ১২ আগস্ট ২০২০ তারিখে অর্থমন্ত্রণালয় একটা পরিপত্র জারী করেন। উক্ত পত্রে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে উল্লেখ করে বলা হয় যে, ‘অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মতি গ্রহণ না করে উল্লেখিত (জাতীয়করণ) বিধিমালার ২(গ),৯ এবং ১০ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত ০৫।০৬।২০১৪ তারিখের ৮৮৯ নং পরিপত্রের টাইমস্কেল গণনা সংক্রান্ত ৩.০১ অনুচ্ছেদ বিধি সম্মত নয় বিধায় এ সংক্রান্ত মঞ্জুরি আদেশ সংশোধনপূর্বক অতিরিক্ত প্রদানকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের কাছ থেকে আদায়যোগ্য।’

আমরা সবাই জানি যে, ৫ জুন,২০১৪ তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সম্মানিত উপসচিব আবুল কালাম উক্ত পরিপত্রটি জারি করেছিলেন। তিনি যে ভুল করেছিলেন আমরা সেটা শুরু থেকেই বলে আসছিলাম। আমি অন্তত বারবার বলে আসছিলাম যে, উপসচিব আবুল কালামের জারীকৃত পরিপত্রের টাইমস্কেলের জন্য চাকুরিকাল গণনার নির্দেশনাটা জাতীয়করণ বিধিমালার বিধি সঙ্গত নয়।

সে যাই হউক। জাতীয়করণ শিক্ষকগণ তখন এক একজন প্রচুর টাকার অনৈতিক তদবির নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন। তাদের সেই অনৈতিক তদবিরে তখন আমাদের কেউ পাত্তাই দিতে চান নি। কিন্তু আমরা আমাদের অবস্থান থেকে এক চুলও নড়েনি। অনেক সচিব, উপসচিব, মন্ত্রী, পরিচালক উপপরিচালকদের নানা বিধিবহির্ভূত আদেশ আমাদের সামনে আনা হলো। তবুও আমরা থেমে থাকি নি। কারণ আমরা জানি, যে কোনো ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বিধিবহির্ভূত যে কোনো আদেশ নির্দেশের বিরোধীতা করা আমাদের চাকুরী বিধিসম্মত আইনানুগ অধিকার।

আজকে জাতীয়করণ শিক্ষকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে অর্থমন্ত্রণালয় জাতীয়করণ বিধিমালা,২০১৩ এর প্রত্যেকটি বিধির প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করেছিলো। হ্যাঁ, আমরাও সেটা বলি এবং অর্থমন্ত্রণালয় কখনোই বলে নি যে, তারা জাতীয়করণ বিধিমালা-২০১৩ এর কোনো বিধির ব্যাপারে তাদের সম্মতি নেই। বরং অর্থমন্ত্রণালয় যেটা বলেছে সেটা হলো যে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব আবুল কালাম ৫ জুন ২০১৪ তারিখ টাইমস্কেল সংক্রান্ত ৩.০১ যে নির্দেশনা প্রদান করেছিলেন সেটি বিধিসম্মত হয়নি। অর্থাৎ উপসচিব স্যারের সেই নির্দেশনাটা ছিলো সম্পূর্ণ জাতীয়করণ বিধিমালা বহির্ভূত। এবং আমরা নানা সময় বিভিন্ন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দ্বারা আমরা সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি।

আজকেও এটা আবারো প্রমাণ করে দিবো। সেদিকে যাওয়ার আগে আজকে আরেকটা ভিন্ন যুক্তির দিকে নজর দেব আমরা। এই লজিকটাও কিন্তু যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আমার আজকের লজিকটা হলো জাতীয়করণ বিধিমালা ২০১৩ এর বিধি-৫। এখন আমরা জাতীয়করণ বিধি-৫ একটু দেখে নেই প্রথমে।

বিধি ৫। শিক্ষকদের বেতন,ইত্যাদি নির্ধারণ। সরকার, সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা সময় সময়, বিধি ৪ এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি নির্ধারণ করিতে পারিবে। জাতীয়করণ বিধিমালা,২০১৩ এর বিধি-৫ প্রদত্ত কর্তৃত্ববলেই কিন্তু অর্থমন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২১ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা জাতীয়করণ শিক্ষকদের বেতন, ভাতাদি ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত আদেশ অনুযায়ীই উনারা বেতন, ভাতাদি কিংবা অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি পাবেন। জাতীয়করণ শিক্ষকদের বেতনভাতাদি সংক্রান্ত বাংলাদেশ গেজেটের কোথাও তাদের টাইমস্কেল প্রাপ্যতার কথা বলা হয় নি।

এখন জাতীয়করণ বিধিমালার বিধি-৫ এ কিন্তু বলা হয়েছে যে, বেতন, ভাতাদিসহ যে কোনো আর্থিক সুবিধাদি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করতে হবে। জাতীয়করণ শিক্ষকদের টাইমস্কেল প্রাপ্যতার আদেশ বাংলাদেশ গেজেট দ্বারা প্রকাশিত হয় নি। এদিক বিবেচনা করলেও জাতীয়করণ শিক্ষকদের প্রদেয় টাইমস্কেল বিধিসম্মত হয়নি। আর যা বিধিসম্মত নয়, তা নি:সন্দেহে অবৈধ হবে। আইন বলছে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা আর্থিক সুবিধাদি নির্ধারণ করতে, সেখানে যদি একজন উপসচিব একটা পরিপত্রের মাধ্যমে সুবিধা প্রদান করেন তবে সেটা কোনোভাবেই বৈধ হতে পারে না। এখন অর্থমন্ত্রণালয় যদি উপসচিব স্যারের পরিপত্রটাকে বিধিসম্মত হয় নি বলে থাকে, তবে তারা তো সঠিকই বলেছেন।

কারণ আইনানুযায়ী জাতীয়করণ শিক্ষকদের যে কোনো আর্থিক সুবিধাদি বাংলাদেশ গেজেট দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে। কিন্তু উপসচিব আবুল কালাম তাদের টাইমস্কেল সুবিধা একটা পরিপত্রের মাধ্যমে জারী করেছেন, যা আইনানুগ হয় নি বলে তা অবৈধ।

এখন আমরা দেখবো অর্থমন্ত্রণালয়ের জাতীয়করণ বিধিমালার বিভিন্ন বিধির প্রতি সম্মতি জ্ঞাপনের বিষয়টা দেখবো। আগেই বলেছি যে অর্থমন্ত্রণালয় জাতীয়করণ বিধিমালার কোনো বিধিকেই অস্বীকার করেন নি। তারা বরং বলেছেন যে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিধিগুলো বিধিসম্মতভাবে পালন করা হয় নি। আর অর্থমন্ত্রণালয় যে সঠিক কথাই বলেছে সেটা আমি জাতীয়করণ বিধি-৫ এর মাধ্যমে আপনাদের সকলকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি। বিধি-৫ এ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশের মাধ্যমে জাতীয়করণ শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধাদি নির্ধারণ করার বিধান থাকলেও উপসচিব আবুল কালাম স্যার এই বিধি লঙ্ঘন করে একটা পরিপত্রের মাধ্যমে জাতীয়করণ শিক্ষকদের টাইমস্কেল প্রদানের নির্দেশনা জারী করেছেন। অর্থমন্ত্রণালয় তো এরকম কোনো পরিপত্রের মাধ্যমে টাইমস্কেল প্রদানের নির্দেশিনার প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করে নি।

আমরা এরকম অনেকগুলো বিধি দেখবো, যেগুলো পরবর্তীতে শিথিল করা হয়েছিলো, কিন্তু অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। জাতীয়করণ সকল বিধি নিয়ে এখানে আলোচনা করা সম্ভব না। আমরা শুধু যেগুলো প্রযোজ্য বিধি সেগুলো নিয়েই এখানে আলোচনা করবো। জাতীয়করণ শিক্ষকদের এখন যে সমস্যাগুলো সামনে এসেছে সেগুলো হলো তাদের জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি ও টাইমস্কেল সংক্রান্ত। এ সংক্রান্ত জাতীয়করণ বিধিমালার একটা সুনির্দিষ্ট বিধি সন্নিবেশ করা হয়েছে।

বিধি ৯। শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি ইত্যাদি। (১) বিধি ৪ এর অধীন কোনো শিক্ষকের নিয়োগ প্রদানের তারিখ হইতে কার্যকর চাকুরিকালের ভিত্তিতে শিক্ষক পদে তাহার জ্যেষ্ঠতা গণনা করা হইবে। আমরা প্রাথমিকভাবে বিধির এই অংশটুকু ই ব্যাখ্যা করবো। এখানে আমরা কয়েকটি বিষয় দেখতে পাচ্ছি।

(১) বিধি-৪
(২) বিধি-৪ এর অধীন কোনো শিক্ষকের নিয়োগ প্রদানের তারিখ।
(৩) কার্যকর চাকুরিকাল।

বিধি-৪ হলো জাতীয়করণ বিধিমালা,২০১৩ এর একটা বিধি। জাতীয়করণ বিধিমালার আইনানুগ কার্যকরীতা দেখানো হয়েছে ১ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখ থেকে। স্বাভাবিক বিধি-৪ এর কার্যকরীতাও তাই ১ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখ থেকেই হবে। আর তাই বিধি-৪ এর অধীন কোনো শিক্ষকের নিয়োগ প্রদানের তারিখ ১ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখের পূর্বের কোনো তারিখ হতে পারবে না। সেজন্য নিয়োগ গেজেটে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবেই তাদের নিয়োগ প্রদানের তারিখ উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে।

বিধি-৪ এর অধীন জাতীয়করণ শিক্ষকদের তিনধাপে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। বিধি-৪ এর অধীন জাতীয়করণ শিক্ষকদের:
প্রথম ধাপের নিয়োগ তারিখ ১জানুয়ারি,২০১৩ তারিখ।
দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ তারিখ ১ জুলাই,২০১৩ তারিখ।
তৃতীয় ধাপের নিয়োগ তারিখ ১ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখ।

কার্যকর চাকুরিকাল: বিধি-২ (গ) দ্বারা জাতীয়করণ শিক্ষকদের কার্যকর চাকুরিকাল সঙ্গায়িত করা হয়েছে। বিধি-২(গ) দ্বারা জাতীয়করণ শিক্ষকদের পূর্ব চাকুরির ৫০% কে কার্যকর চাকুরিকাল হিসেবে সঙ্গায়িত করা হয়েছে। কিন্তু বিধি-৯(১) এ যে কার্যকর চাকুরিকালের কথা বলা হয়েছে সেটা বিধি-২(গ) দ্বারা সঙ্গায়িত কার্যকর চাকুরিকাল নয়। কারণ বিধি-৯(১) এ বলা হয়েছে যে, বিধি-৪ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের তারিখ হইতে কার্যকর চাকুরিকালের কথা। আমরা দেখেছি বিধি-৪ এর অধীন তাদের কারোরই নিয়োগ প্রদানের তারিখ ১ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখের পূর্বে নয়। তাহলে তাদের কার্যকর চাকুরিকালও ১ জানুয়ারি,২০১৩ তারিখের পূর্বে থেকে গণনা করা যাবে না। আসলে বিধি-৯(১) এর মাধ্যমে জাতীয়করণ শিক্ষকদের বিধি-৪ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের তারিখ হইতে আরেকটা কার্যকর চাকুরিকালের উদ্ভব হয়েছে। এবং তাদের এ কার্যকর চাকুরিকাল হলো সরকারি কার্যকর চাকুরিকাল। মূলত এই সরকারি কার্যকর চাকুরিকালের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে জাতীয়করণ শিক্ষকদের পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রদান করতে বলা হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় কিন্তু জাতীয়করণ বিধিমালার এই বিধির উপর সম্মতি জ্ঞাপন করেছিলো। অথচ তাদের টাইমস্কেল প্রদান করা হলো বিধি-২ দ্বারা সঙ্গায়িত কার্যকর চাকুরিকাল দিয়ে। এটা বিধিসম্মত হয় নি। অর্থমন্ত্রণালয় সে-ই কথাটাই তাদের ১২ আগস্ট, ২০২০ তারিখের পত্রের মাধ্যমে জানিয়েছেন এবং সেই বিধিবহির্ভূত আদেশটা সংশোধন করতে বলেছেন।
তাহলে এটা স্পষ্ট হলো যে জাতীয়করণ শিক্ষকগণ বিধি-৪ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের তারিখ হইতে কার্যকর চাকুরিকালের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড ও প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রাপ্য হবেন।

দেখা গেলো বিধি-৪ এর অধীন, ১ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখ হইতে কিশোরগঞ্জ জেলার কোনো একটা উপজেলায় হয়তো ২০০ জন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হলো। এখন এই ২০০ জন শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যেও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করতে হবে, যেমনটি অন্যান্য নিয়োগবিধির অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত একাধিক শিক্ষকের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করতে হয় সেভাবে। অন্যান্য নিয়োগবিধির আওতায় একইসঙ্গে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষকের প্রথম নিয়োগের তারিখ একই। কিন্তু জাতীয়করণ শিক্ষকদের সকলের প্রথম বেসরকারী নিয়োগের তারিখ এক না। আর একারণেই তাদের নিজেদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে বিধি-২(গ) দ্বারা সঙ্গায়িত তাদের স্ব-স্ব কার্যকর চাকুরিকালের ভিত্তিতে তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে, যেটা আমরা বিধি-৯(২) এ দেখতে পাচ্ছি। এখানে খেয়াল করতে হবে, সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করতে গিয়ে জাতীয়করণ শিক্ষকদের স্ব-স্ব কার্যকর চাকুরিকাল গণনায় আসবে না। সমন্বিত জ্যেষ্ঠতা তালিকা হবে শুধুমাত্র জাতীয়করণ কার্যকর চাকুরিকাল থেকে। তাদের স্ব-স্ব কার্যকর চাকুরিকাল গণনা হবে শুধুমাত্র তাদের জ্যেষ্ঠতা সিরিয়াল নির্ধারণ করার জন্য। তাদের জ্যেষ্ঠতা সিরিয়াল নির্ধারণ করার পর ১।১।২০১৩ ইং তারিখ থেকে সেই জ্যেষ্ঠতা সিরিয়াল শুরু হবে। বিধি-৯(২) দ্বারা তাদের নিজেদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা সিরিয়াল করে, বিধি-৯(১) অনুসারে ১।১।২০১৩ তারিখ থেকে সেই সিরিয়াল শুরু হবে। তাহলে বিধি-৯(১) ও বিধি-৯(২) দ্বারা প্রথম ধাপের জাতীয়করণ শিক্ষকগণ ১।১।২০১৩ তারিখ থেকেই জ্যেষ্ঠতা পাবেন। আর বিধি-৯(৩) অনুযায়ী বিধি-৯(১) ও বিধি-৯(২) দ্বারা যেহেতু তাদের জ্যেষ্ঠতা ১।১।২০১৩ তারিখ থেকে গণনাযোগ্য, স্বাভাবিক ৩১।১২।২০১২ তারিখ পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষক পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড কিংবা টাইমস্কেল না পাওয়া অবধি প্রথম ধাপে জাতীয়করণকৃত কোনো শিক্ষক না পদোন্নতি পাবেন, না সিলেকশন গ্রেড পাবেন আর না টাইমস্কেল পাবেন। কিছুই পাবেন না তারা।

-মো. হাবিবুর রহমান (শিক্ষক)।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন