২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং, মঙ্গলবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক সহ নিম্ন গ্রেডে চাকুরীজীবীদের বেতন বাড়া : ১০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা

জাতীয় বেতন স্কেল

ডিবি ডেস্ক :: ২০১৫ সাল প্রদত্ত পে-স্কেলে সরকারি কর্মকর্তাদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পেলেও নিম্নস্তরের কর্মচারিদের চরমভাবে ঠকানো হয়েছে। এক্ষেত্রে অতীতে প্রদত্ত পে-স্কেলগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এর আগে প্রদত্ত পে-স্কেলের তুলনায় বর্তমানে পে-স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

২০১৫ সালের আগে টাইমস্কেল দেওয়া হত সার্বিক চাকুরী জীবনে মোট তিনটি। যা সরকারি কর্মচারিরা চাকুরী শুরু করার পর থেকে ৮, ১২, ১৫ বছরে পেতেন। যার ফলে নিম্নপদস্থ কর্মচারিরা পদোন্নতি বঞ্চিত থাকলেও আর্থিকভাবে অনেকটা লাভবান হত। সে সময় টাইমস্কেলে উচ্চ ধাপে ফিক্সেশনের করার সুযোগের পাশাপাশি বাড়তি একটা ইনক্রিমন্ট সুবিধা ও পাওয়া যেত।

কিন্তু বর্তমান পে-স্কেলে ৩ টি টাইমস্কেল বাতিল করে ১০ বছর পূর্তিতে একটি, এরপর চাকুরী ১৬ বছর হলে আরেকটি উচ্চতর গ্রেড কার্যকর করা হয়। যা পূর্বের তুলনায় চাকুরীজীবিদের ঠাকানো মাত্র। এক্ষেত্রে নিম্নস্তরে ১০ বছর ও ১৬ বছর পদোন্নতিহীন চাকুরী জীবনে একজন অধস্তরের কর্মচারির বেতন বাড়ে সর্বনিম্ন মাত্র ১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ মাত্র ৩৫০ টাকা। এই চিত্র ১১তম গ্রেডের নিচ থেকে শুরু করে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এর মধ্যে প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার কর্মচারী হল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভাগা শিক্ষকরা। যা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, মো. জাকির হোসেনের কথায় দেশের সেনাবাহিনীদের সংখ্যার চেয়ে বেশি।

এছাড়া সবচেয়ে আরেকটি বড় সমস্যা হল; ১১-২০ গ্রেডের নিম্নপদস্থ কর্মচারিদের উচ্চতর গ্রেড যা ১০ ও ১৬ বছরে দেওয়া হয়, সেটি পাওয়ার জন্য প্রায় অর্ধযুগ অপেক্ষা করেও তারা কাংখিত উচ্চতর গ্রেড এখনো পায়নি। কিন্তু এর ১৫ সালে ঘোষিত পে স্কেলে যারা এর উপরে আছে তাদের পোয়া বারো। তাদের বেশিরভাগের নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদোন্নতির ব্যবস্থা আছে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চাকুরীজীবি শ্রেণি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সহ ১১ থেকে ২০তম গ্রেডে চাকুরী করা সুবিধা বঞ্চিত কর্মচারিদের দীর্ঘ দিনের দাবী হল এযাবৎ কালের শ্রেষ্ঠ বৈষম্যের পে-স্কেল ২০১৫ সালের প্রদত্ত পে-স্কেল, আতে সরকারি চাকুরীরতদের এখনো বেতন হচ্ছে এই পেস্কেল বাতিল করা। এবং এটি বাতিল করে একটি বৈষম্যহীন পে-স্কেল এই উচ্চ বাজারমুখি সময়ে দ্রুত প্রনয়ণ করা। তা হলে নিম্নগ্রেডে চাকুরী করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সহ অন্যান্য অফিস সমুহে চাকুরী করা চাকুরীজীবিদের সংসারের ঘানি টানতে হিমসিমই খেতে হচ্ছে।

আরো পড়ুন : শিক্ষকদের বেতন বিষয়ে এমপিও কমিটির সভার তারিখ নির্ধারণ

শিক্ষকদের ৭৫ কোটি টাকার বেশি বকেয়া পড়ে আছে

বেসরকারি কলেজে চলমান অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করে কারিগরি কোর্স চালু হচ্ছে দ্রুত

-ডিবি আর আর।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন