২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং, মঙ্গলবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দাখিল বিধিমালা

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

দৈনিক বিদ্যালয় :: চাকরিজীবীদের নিয়মিত সম্পদের হিসাব দেওয়ার জন্য তাগিদ দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদেরকে চিঠি দিয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

যে কারণে এখনই জানা জরুরি কী আছে সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রদানের জন্য কী আছে নীতিমালায়।

১৯৭৯ এর সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা এর ‘মূল্যবান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়’ উপ-শিরোনামের ১১ নং বিধিতে বলা হয়েছে যে,

প্রকৃত ব্যবসায়ীর সাথে সরল বিশ্বাসে লেনদেনের ক্ষেত্র ব্যতিত একজন সরকারী কর্মচারী তার কর্মস্থল, জেলা বা যে স্থানীয় এলাকার জন্য তিনি নিয়োজিত, ওই এলাকায় বসবাসকারী, স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী অথবা ব্যবসা বাণিজ্যরত কোনো ব্যক্তির নিকট ১৫ হাজার টাকার বেশি মূল্যের কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়, বিক্রয় বা অন্য কোনো পন্থায় হস্তান্তর করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বিভাগীয় প্রধান বা সরকারের সচিবের নিকট নিজের এ অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে হন।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মচারী নিজেই বিভাগীয় প্রধান হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে এবং সরকারের সচিব হলে সংস্থাপন (জনপ্রশাসন) মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে সরকারের নিকট অভিপ্রায় জানাবেন।

বিধিমালায় আরও আছে, উক্ত অভিপ্রায়ের বক্তব্যে লেনদেনের কারণ ও স্থিরকৃত মূল্যসহ লেনদেনের সম্পূর্ণ বিবরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় ব্যতীত অন্য কোনো পদ্ধতিতে হস্তান্তর করা হইলে, উক্ত হস্তান্তরের পদ্ধতি উল্লেখসহ লেনদেনের সম্পূর্ণ বিবরণ থাকিবে। অতঃপর সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কাজ করবেন।

বিধি উল্লেখ্য, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তাহার অধঃস্তন কর্মচারীর সাথে সকল প্রকার লেনদেনের ক্ষেত্রে পরবর্তী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

আচরণ বিধিতে ইমারত নির্মাণ, ইত্যাদি’ উপ-শিরোনামের ১২(১) বিধিতে বলা হয়েছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারী নির্মাণ ব্যয়ের প্রয়োজনীয় অর্থের উৎসের উল্লেখপূর্বক আবেদনের মাধ্যমে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ না করে ব্যবসায়িক বা আবাসিক উদ্দেশ্যে কোনো ইমারত নির্মাণ করিতে পারিবেন না।

উক্ত আচরণ বিধিতে সম্পত্তির ঘোষণা’ উপ-শিরোনামের ১৩ বিধিতে বলা হয়েছে যে, “প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে চাকরিতে প্রবেশের সময় যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার অথবা তার পরিবারের সদস্যদের মালিকাধীন বা দখলে থাকা শেয়ার, সার্টিফিকেট, সিকিউরিটি, বীমা পলিসি এবং মোট পঞ্চাশ হাজার টাকা বা ততোধিক মূল্যের অলঙ্কারাদিসহ সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে সরকারের নিকট ঘোষণা দিতে হবে এবং উক্ত ঘোষণায় নিম্নোক্ত বিষয়াদির উল্লেখ থাকবেঃ

#এ: যে জেলায় সম্পত্তি অবস্থিত উক্ত জেলার নাম,

#বি: পঞ্চাশ হাজার টাকার অধিক মূল্যের প্রত্যেক প্রকারের অলঙ্কারাদি পৃথকভাবে প্রদর্শন করিতে হইবে, এবং

#সি: সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে আরও যেই সমস্ত তথ্য চাওয়া হয়।

এছাড়া প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে প্রতি পাঁচ বৎসর পরে ডিসেম্বর মাসে উপবিধি-১ এর অধীনে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, প্রদত্ত ঘোষণায় অথবা বিগত পাঁচ বৎসরের হিসাব বিবরণীতে প্রদর্শিত সম্পত্তির হ্রাস-বৃদ্ধি হিসাব বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারের নিকট দাখিল করতে হবে।

আরও পড়ুন : সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দাখিল করতে সকল মন্ত্রণালয়কে যে নির্দেশনা

৭ম শ্রেণির শিক্ষাথীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির এ্যাসাইনমেন্ট : দশম সপ্তাহ

“দৈনিক বিদ্যালয়” অনলাইন পোর্টালটি সরকারি কর্মচারীদের বেতন, টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড, ভাতা, বোনাস ইত্যাদি সহ ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা-পড়ার খোজ খবর, শিক্ষকদের জন্য পরিপত্র, বিধি-বিধান, প্রজ্ঞাপন, বিজ্ঞপ্তি ইত্যাদি বিষয়াবলি নিয়ে খবর প্রকাশ করে। সেজন্য নিয়মিত “দৈনিক বিদ্যালয়” লিখে সার্চ দিন।

ডিবি আর আর।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন