শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি দুই সপ্তাহ বাড়ছে : ভিন্ন সিদ্ধান্তও আসতে পারে

প্রাথমিক

দৈনিক বিদ্যালয় প্রতিবেদন :: দেশের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরও দুই সপ্তাহ বাড়ছে। আজ ২ ফেব্রুয়ারি, বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতি : খসড়া এখন যেখানে

কাঁচের মত স্বচ্ছ মোবাইল ফোন বাজারে আনতে যাচ্ছে বিশ্বখ্যাত এই ব্রান্ড কোম্পানি

নতুন বিপদে শিক্ষক সহ ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিরা

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সাংবাদিকদের বলেন, করোনার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দেশের করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি আরও কিছুদিন দেখার পক্ষে মত দিয়েছেন, তারা বলেছেন, যেহেতু করোনার সংক্রমণ এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ, এ জন্য হয়তো আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ দেখা যেতে পারে। তবে তিনি সাথেসাথে এটাও বলেন, আমরা করোনার অবস্থা পর্যালোচনা করছি। প্রয়োজনে আলাদা সিদ্ধান্তও হতে পারে।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে দীর্ঘ ১৮ মাস পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। যদিও সর্বশেষ ছুটির আগে শ্রেণি কার্যক্রম চলছিল স্বল্প পরিসরে এবং সকল শ্রেণির ক্লাস সব দিন হচ্ছিল না। এরপর আবার সম্প্রতি নতুন করে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করে সরকার। গত ২১ জানুয়ারি ২০২২ এই ছুটি শুরু হয়েছে। যা শেষ হওয়ার কথা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি। তার আগেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়।

আরও উল্লেখ্য, ২১ জানুয়ারি করোনা সংক্রমণ রোধে আগামী দুই সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের জরুরি নির্দেশনা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সেই নির্দেশনায় বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে। স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি গত ২১ জানুয়ারি বলেন, এখন বিদ্যালয়ের শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটছে। যা আগে ছিল না। আমাদের এটাকে আমলে নিতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, মাঠের চিত্রের ওপর ভিত্তি করেই এই বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

READ MORE  যে কারণে গ্রেডেশন সফটওয়্যারে বহিরাগত অপশন বাতিলের দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের

-ডিবি আর আর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *