১১ই এপ্রিল, ২০২১ ইং, রবিবার, ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জাল সনদে চাকরি নেওয়ায় শিক্ষিকা বহিষ্কার

দৈনিক বিদ্যালয় ডেস্ক : সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে পূর্বের ছয় বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগে হাতীবান্ধা উপজেলার ‘পূর্ব বিছনদই ডাঙ্গাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ এর হাছনা আক্তার নামক শিক্ষিকাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উক্ত হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম উক্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্তের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সহকারী শিক্ষকদের ১৩ তম গ্রেডের আইবাস++ এ ফিক্সেশনের অগ্রগতি কতদূর

জানা গেছে, হাছনা আক্তার পূর্ব বিছনদই ডাঙ্গাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি (এস এম সি) এর সভাপতি এবং ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সামাদ মুন্সির পুত্র আরাফাত ইসলাম তুহিনের স্ত্রী।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, হাছনা আক্তার তার বড় বোনের দাখিল পাশের সনদপত্রে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুয়া সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে চাকরি নেয়। এরপর ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে তার চাকরি নেওয়া বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়।

জাতীয়করণের জন্য লালমনিরহাট জেলা পুলিশ উক্ত বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত করেন। সেই তদন্তে উক্ত শিক্ষিকা হাছনা আক্তারের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির বিষয়টি সত্যতা পায় পুলিশ।

এ ঘটনায় গত ৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে লালমনিরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম নবী তাকে বরখাস্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি ইস্যু করেন। যার স্মারক নং ছিল-জেপ্রশিঅ/লাল/এফ-সামঃ বরঃ/২০২০/১৬৭৩/৮।

১৫ থেকে ১১ গ্রেড পর্যন্ত বেতন হিসাব ২০১৫ জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী

পূর্ব বিছনদই ডাঙ্গাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এ সংক্রান্ত আমি একটি চিঠি পেয়েছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, উক্ত শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত চলছে।

এবিষয়ে হাছনা আক্তারকে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও, ফোন বন্ধ থাকায় তার কাছ থেকে কোন মতামত পাওয়া যায় নি।

যে কারণে বৃহস্পতি ও শুক্রবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি দেয়া হোক

-ডিবি আর আর।

ফেসবুকে লাইক দিন