২০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার, ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

তারা উল্লেখ করেন, ‘আর্থিক অনটনে পড়ে ইতোমধ্যে ১৪ জন শিক্ষক হৃদরোগ, আত্মহত্যা সহ নানা কারণে মৃত্যু বরণ করেছে।

প্রাথমিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে শিক্ষক কর্মচারীদের অনশন কর্মসূচি ঘোষণা

দৈনিক বিদ্যালয় ডেস্কঃ করোনা মহামারি কারণে ১৭ মার্চ তারিখের পর থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ৪০ হাজার কিন্ডারগার্টেনে বা কেজি স্কুলে কর্মরত প্রায় ০৮ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে সব স্কুলে খুলে দেয়া ও স্কুলেই বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছে ‘কিন্ডারগার্টেন ও সমমান স্কুল রক্ষা জাতীয় কমিটি।’ তাদের দাবি না মানলে চলতি মাসে মানববন্ধন, যৌথ স্মারকলিপি প্রদান ও আগামী পহেলা নভেম্বর থেকে আমরণ অনশন করার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে উক্ত সংগঠনটি।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসকল কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে চলতি মহামারি কালিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪০ হাজার কিন্ডারগার্টেনে কর্মরত প্রায় ৮ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার কথা বলেন নেতৃবৃন্দ। তাদের দাবির মধ্যে আরও আছে নিজ স্কুলে বার্ষিক মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।

সেখানে নেতারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারের সাফল্যের ক্ষেত্রে কিন্ডারগার্টেনের অবদান প্রায় অর্ধেক। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্কুল বন্ধের মধ্যেও সরকারি বেতন পাচ্ছেন আর কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা একই বই পড়িয়ে এবং সমাপনী পরীক্ষায় তুলনা মূলক ভালো ফলাফল অর্জন করেও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই বৈষম্য চলতে পারে না।’

তারা বলেন, বর্তমানে দেশে সবকিছু স্বাভাবিক আছে, সব কিছু চলছে। কওমি মাদ্রাসা খুলে দেওয়া হলেও সেখানে সংক্রমণের কোনও খবর নেই। ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাহলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিন্ডারগার্টেন সমুহ খুলতে সমস্যা কোথায়? তাদের দাবি ১৭ অক্টোবরের মধ্যে স্কুল খোলার ঘোষণা দিতে হবে তা না হলে এ মাসে মানববন্ধন, যৌথ স্মারকলিপি প্রদান ও আগামী মাসের প্রথম দিনেই আমরণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তারা।

তারা উল্লেখ করেন, ‘আর্থিক অনটনে পড়ে ইতোমধ্যে ১৪ জন শিক্ষক হৃদরোগ, আত্মহত্যা সহ নানা কারণে মৃত্যু বরণ করেছে।

এই সম্মেলনে মোট ২১টি সংগঠনের যৌথ প্রয়াসে গঠিত এই জাতীয় কমিটির আহবায়ক মো. মিজানুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ও নানা প্রশ্নের উত্তর দেন সদস্য সচিব জিএম কবির রানা। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি টাকা যেভাবে আসবে

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১৩ তম গ্রেড প্রাপ্তির সর্বশেষ খবর

চার পাঁচজন শিক্ষক একই পদে যেতে চাইলে সফটওয়্যার যাকে মনে করবে অনুমোদন দেবে

প্রসঙ্গঃ প্রাথমিক শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারীদের চাকুরি স্থায়ীকরণ ও পুলিশ ভেরিফিকেশন

ফেসবুকে লাইক দিন