প্রাথমিক শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে গমন প্রসঙ্গে

অধিদপ্তর

দৈনিক বিদ্যালয় ডেস্ক :: বৈশ্বিক মহামারী করোনার উর্ধমুখি প্রকোপের কারণে দেশের সকল সরকারি, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল সমুহ আগামী ২২ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। গত ২৮ই মার্চ, রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সবাই। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য দুঃসংবাদ হল; প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠ কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষকদের নিয়মিত স্কুলে যেতে হবে তাদের। ‘বাংলাদেশ জার্নাল’ নামক একটি অনলাইন পোর্টালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

মনীষ চাকমা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি এন্ড অপারেশন) উক্ত অনলাইন পোর্টালকে বলেন, ‘বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার একটি বিষয় আছে। তাই পাঠকার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষকদের কার্যক্রম কিন্তু বন্ধ নেই। ফলে শিক্ষকদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে।’

চাকমা বলেন, ইতোমধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতির বিষয়ে অধিদপ্তর থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবিষয়টি তাদের (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের) অজানা নয়।

এবিষয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে অভিযোগ করে আসছেন। তারা বলছেন, বিদ্যালয়ে অনেক সময় আমাদের কোনো কাজ থাকে না। প্রধান শিক্ষক প্রতিদিন বিদ্যালয়ে ডেকে অযথা বসিয়ে রাখেন।

এবিষয়ে আরো জানতে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মনীষ চাকমা বলেন, ‘কোন শিক্ষক কবে আসবেন, এটি প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ঠিক করবেন। তবে শিক্ষকদের প্রয়োজনে বিদ্যালয়ে আসতে হবে।

এখানে উল্লেখ্য, গত ২৮ই মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রাদেশে বলা হয়েছে, করোনার সময় শিক্ষার্থীদের নিজেদের ও অন্যদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীগণ নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। এছাড়া সেই পত্রাদেশে অনলাইনে শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। তবে তাতে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে আসতে হবে কি হবে না, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যালয়ে যায়। করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমরা যাচ্ছি। তবে এবিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মৌখিক নির্দেশনা আমাদেরকে দেয়া হয়েছে কিন্তু কোনো লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

READ MORE  এবার যখন যেভাবে নতুন বই সংগ্রহ করতে হবে শিক্ষার্থীদের

-ডিবি আর আর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *