১লা আগস্ট, ২০২১ ইং, রবিবার, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

শিক্ষকদের ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জরিপ করে তথ্য দিতে বলেছে সরকার

ড্রপ আউট শিশু জরিপ

ডিবি ডেস্ক :: গত বছরের মার্চ থেকে করোনা পরিস্থিতির কারণে ১৫ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশের সাড়ে চার কোটির বেশি ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া।

অনুমতিহীন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করলে যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে অধিদপ্তর

প্রাথমিকে বহিরাগতদের সিনিয়রিটি ও চলতি দায়িত্ব বিষয়ে ডিজির বক্তব্য

যে কারণে গ্রেডেশন সফটওয়্যারে বহিরাগত অপশন বাতিলের দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের

প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজের উপবৃত্তির টাকা বাড়ছে : আরো কিছু সুখবর

এর ফলে অনেক শিক্ষার্থী ঝুঁকে পড়ছেন অনলাইন আসক্তিতে, শিশুশ্রমে। আবার অনেকেই লেখাপড়া ছেড়ে দিচ্ছে।

এজন্যই দেশের ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী ড্রপ আউট শিক্ষার্থীদের সংখ্যা জানতে জরিপ শুরু করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। এলক্ষে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী চিহ্নিত করতে জরিপ পরিচালনায় গত ২৭ মে নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব উপজেলায় নির্দেশনা পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-পিইডিপি-৪ এর আওতায় আউট অব স্কুল চিলড্রেন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো-বিএনএফই। এছাড়া রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক-২) ছাড়া দেশের ৬৪ জেলার ৩৪৫টি উপজেলায় এবং সকল সিটি করপোরেশনসহ ১৫টি শহর এলাকায় এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

রস্ক বাস্তবায়ন কৌশল অনুযায়ী শিশু নির্বাচন কমিটির বা ক্যাম্পেইন কমিটির সভাপতি হিসেবে সংশ্লিষ্ট ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এবং যেসকল এলাকায় কোন বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশু রয়েছে তার একটি ম্যাপিং এবং তালিকা প্রস্তুত করে বিদ্যালয়বহির্ভূত ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের শনাক্ত করার জন্য জরিপ পরিচালনা করতে হবে।

উক্ত নির্দেশনায় এছাড়া জরিপ করা শিক্ষার্থী তালিকাটি যাচাই-বাছাই করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই ড্রপআউট শিক্ষার্থীদের জরিপ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, কতজন শিক্ষার্থী ভর্তি আছে এবং কতজন ড্রপ আউট হয়েছে তা জানতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একটি বিষয় আমাদের নজরে এসেছে, তাহল ‘দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায় অনেক বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। তারা কোথায় থেকে গিয়ে ভর্তি হয়েছে? তারা কি ঢাকা শহর থেকে গিয়ে ভর্তি হয়েছে নাকি অন্য কোথাও থেকে। অনেক কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে। এদের অনেকে বিভিন্ন এলাকার বিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, পুরো চিত্র পেলে আমরা বুঝতে পারবো এবং ড্রপ আউট (ঝরেপড়া) শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত সেটিও চিহ্নিত করতে সম্ভব হব।

ডিবি আর আর।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন