২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং, মঙ্গলবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষকদের ছুটি সহ অন্যান্য কার্যক্রম এখন থেকে যেভাবে

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

ডিবি ডেস্ক :: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল দপ্তরে এ বছরের নভেম্বর থেকে চালু হতে যাচ্ছে ই-ফাইলিং সিস্টেম। জানাগেছে আদালত ও অডিটর জেনারেল অফিসের কিছু আর্থিক নথি ও জরুরি কিছু ফাইল ছাড়া বাকি সব কাজ হবে এরপর থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। প্রয়োজন হবে না আর কাগজপত্রের নথির।

বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ই-ফাইলিং সিস্টেম ফিল্ড লেভেলে চালু হয়েছে। আমাদের জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসগুলো এখন ইফাইলের আওতাধীন। এবিষয়ে শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ দিতে বাকি আছে ৬৭টি পিটিআই এবং ৫০৯টি ইউআরসি (বা প্রশিক্ষণ সেন্টারগুলো)। যাদের প্রশিক্ষণ বাকি আছে, এমন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে সেপ্টেম্বর মাসে। যা শেষ হবে অক্টোবরে।

তিনি এখনো, এখন থেকে কিছু জরুরি ফাইল ব্যাতিরেকে প্রাথমিকের সব অফিসে শতভাগ ই-ফাইলিং চলবে। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের প্রায় ১ হাজার ৭০০ অফিসে ই-ফাইলিং কার্যক্রম আরম্ভ করা হয়েছে।

এবিষয়ে অধিদপ্তর আরও জানায়, চলতি করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে শুরু করে প্রাথমিকের সব দফতর, সংস্থা এবং মাঠপর্যায়ের সব অফিসে ই-ফাইলিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। যার অধিনে শিক্ষকদের অনলাইনে প্রশিক্ষণ শুরু করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, অ্যানালগ পদ্ধতিতে অফিসিয়াল কার্যক্রম চালালে বেশি সময় লাগে। আমাদের কাছ থেকে সচিবালয়ে একটি ফাইল যেতে সময় লাগে তিনদিনেরও বেশি। ই-ফাইল সিস্টেম চালুর মাধ্যমে সেই ফাইলই পৌঁছে যাবে মুহূর্তেই মধ্যে।

অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভাগের সব দফতরে ই-ফাইলিং ব্যবহারের জরুরি ও গুরুত্বারোপ ভিত্তিক নির্দেশনা জারি করেছেন ঢাকা বিভগীয় উপরিচালক মো. ইফতেখার হোসেন ভূঁইয়া। এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সেবা পাওয়া সহজ করতে বিদ্যালয়ের নিজস্ব ইমেইল আইডিও খোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এরফলে চালু হলে প্রাথমিকের ইমেইলেই চলে যাবে যাবতীয় সরকারি আদেশ, প্রজ্ঞাপন, ও বিভাগীয় নির্দেশনা।

এবিষয়ে ঢাকার উপরিচালক আরও বলেন, এখন থেকে শিক্ষকদের ছুটি নিতে শিক্ষা অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ই-মেইলের মাধ্যমে ছুটি সংক্রান্ত আবেদন করতে পারবেন। যার ফলে শিক্ষকদের হয়রানি কমবে এবং সেবা পাওয়াটা সহজ হল। তিনি বলেন, বিভাগীয় অফিস ছাড়াও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট অফিসে ই-ফাইলিং সিস্টেম চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছিল, ২০২২ সাল থেকে সকল ক্ষেত্রে ই-ফাইলিং চলবে। করোনার কারণে চলতি বছর থেকেই শতভাগ ই-ফাইলিংয়ে যাচ্ছে প্রাথমিকের সব দফতর। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসাররা অনলাইনের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের ছুটি নেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছেন কোভিড-১৯ পরিস্থিতির পূর্বেই।

ডিবি আর আর।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন

ফেসবুকে লাইক দিন